সিঙ্গেল প্রিমিয়াম বীমা পরিকল্প-০৯ (লাভবিহীন)
"বীমার আসল সৌন্দর্য সঞ্চয়ে নয়, ঝুঁকির সময় আর্থিক সুরক্ষায়।"
বর্তমানে দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে এফডিআর যে ব্যবস্থা চালু আছে তাতে পূর্বে ৫ থেকে ৬ বছর মেয়াদে জমাকৃত অর্থের দ্বিগুণ হওয়ার সুযোগ ছিল। বর্তমানে ব্যাংকের এ স্কিম হতে দ্বিগুণ অর্থ পেতে ১০ থেকে ১২ বছর অপেক্ষা করতে হয়। ব্যাংকের এ স্কিমগুলোতে গ্রাহকের জীবনের কোনো ঝুঁকি আবরিত থাকে না। কিন্তু সিঙ্গেল প্রিমিয়াম পলিসিতে একই সাথে গ্রাহকের জীবনের ঝুঁকি আবরিত করার পাশাপাশি মেয়াদ শেষে বীমা অংকের দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ প্রাপ্তির নিশ্চয়তা আছে। এছাড়াও মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বে কোনো কারণে বীমাগ্রহীতার মৃত্যু হলে সাথে সাথে নমিনীকে বীমা অংকের দ্বিগুণ পরিমাণ অর্থ ফেরত দেওয়া হয়ে থাকে। নমিনীকে এ জন্য মেয়াদ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয় না।
এ পরিকল্পের বৈশিষ্ট্য হলো-
- বীমার মেয়াদ ০৬, ০৮, ১০, ১২ ও ১৫ বছর।
- ন্যূনতম জমাকৃত অর্থ হবে ২৫,০০০/- (পঁচিশ হাজার) টাকা।
- বীমার শুরুতে মহিলা জীবনের জন্য বয়স হবে ১৮ থেকে ৫১ বছর এবং মেয়াদান্তে ৬০ বছর। পুরুষ জীবনের জন্য বয়স হবে ১৮ থেকে ৫৪ বছর এবং মেয়াদান্তে ৬০ বছর।
- বীমার শুরুতেই একটি মাত্র কিস্তিতে প্রিমিয়াম পরিশোধ করতে হয়। বাকি সময়ের জন্য আর কোনো প্রিমিয়াম দেওয়ার প্রয়োজন পড়ে না।
- প্রদত্ত প্রিমিয়ামের উপর আয়কর রেয়াত পাওয়া যায়।
- এ পরিকল্পে কোনো সহায়ক বীমা নেওয়া যায় না।
প্রদেয় সুযোগ-সুবিধা:
- মেয়াদ পূর্তিতে বীমা অংকের দ্বিগুণ অর্থ প্রদান করা হয়।
অকাল প্রয়াণে প্রদেয় সুবিধাসমূহ:
- মেয়াদের মধ্যেই বীমাগ্রহীতার মৃত্যুর ক্ষেত্রে তার মনোনীত ব্যক্তিকে বীমা অংকের দ্বিগুণ অর্থ প্রদান করা হয়।
যাদের জন্য উপযোগী:
- যে সকল গ্রাহক জীবনের ঝুঁকির পাশাপাশি মেয়াদ শেষে একত্রে বড় অংকের লভ্যাংশ পেতে আগ্রহী এবং যারা বড় অংকের কর রেয়াত পেতে চান, তাদের জন্য এই পরিকল্পটি যথোপযুক্ত।
মূল বীমা অঙ্কের পরে লাইফ কাভারেজ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির কাভারেজের যে প্রিমিয়ামকে অনেকেই বাড়তি মনে করেন, সেটিই সংকটের সময় সবচেয়ে বড় সহায়তা হয়ে দাঁড়ায়, যা আমাদের ব্যক্তি ও পারিবারিক ভ্যালু বৃদ্ধি করে মানসিক শান্তির কারণ হয়।

